Thursday, July 23, 2020

আর্যজাতি, সম্রাট অশোক, কুশান রাজবংশ, গুপ্তযুগ, রাজা শশাঙ্ক, হর্ষবর্ধন, পাল রাজবংশ


আর্য জাতি
১।যারা আর্য ভাষা অর্থাৎ ল্যাটিন, জার্মান, ফরাসি ভাষায় কথা বলতো তাদেরই আর্য জাতি বলা হয়।
২। এদের ধর্মীয় গ্রন্থ হলো বেদ
৩। আর্য পূর্ব বঙ্গ জনগোষ্ঠি ছিল অষ্ট্রিক ও দ্রাবিড়।
৪। আর্যদের পরে এদেশে আসে ভোটচীনিয় জাতি। এরা হলো, গারো, কোচ, চাকমা ত্রিপুরা ইত্যাদি।

সম্রাট অশোক
১। সম্রাট আশোক ছিলেন ভারতের শ্রেষ্ঠ সম্রাট।
২। নিজ ভাইদের হত্যা করে সিংহাসন দখলের জন্য সম্রাট অশোককে ‘চন্ডাশোক’ বলা হয়।
৩। সম্রাট অশোকের সিংহাসন আরোহনের অষ্টম বছরে কলিঙ্গ যুদ্ধ হয়।
৪।সম্রাট অশোককে ’বৌদ্ধ ধর্মের কনস্ট্যানটাইন’ বলা হয়।
৫।সম্রাট অশোক ব্রাহ্মীলিপির পৃষ্টপোষকতা করেন এবং এ লিপিকে বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করেন।

কুশান রাজবংশ
১। কনিষ্ক ছিলেন কুষাণ রাজবংশের শ্রেষ্ঠ নরপতি।
২। তিনি ‘শকাব্দ’ নামক সাল গণনার শুরু করেন।

গুপ্তযুগ
১। গুপ্ত বংশের প্রথম রাজা ছিলেন শ্রীগুপ্ত।
২। শ্রীগুপ্তের পৌত্র চন্দ্রগুপ্ত ছিলেন গুপ্ত সাম্রাজ্যের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা।
৩। সমুদ্রগুপ্তকে ‘প্রাচীন ভারতের নেপোলিয়ান’ বলা হয়।
৪। মহাকবি কালিদাস ছিলেন দ্বিতীয় চনদ্রগুপ্তের সভাকবি।

রাজা শশাঙ্ক
১। গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতনের পর বঙ্গদেশ দুটি স্বাধীন অংশে বিভক্ত হয়। (ক) প্রাচীন বঙ্গ রাজ্য (খ) গৌড়
২। সপ্তম শতকে গৌড় রাজ্য বলতে বাংলাকে বুঝাতো।
৩। গৌড় রাজ্যের প্রথম স্বাধীন রাজা হলেন শশাঙ্ক।
৪। শশাঙ্ক প্রথম বাঙালি রারা এবং প্রাচীন বাংলার প্রথম গুরুত্বপূর্ণ নরপতি।
৫। শশাঙ্ক ছিলেন গৌড়ের স্বাধীন রাজা।
৬। রাজা শশঅঙ্ক প্রথম রাজা যিনি বাংলা বাইরে উত্তর ভারতে বাংলা আধিপত্য ও গৈৗরব বিস্তার করেন।

হর্ষবর্ধন
১। ৬০৬ সালে হর্ষবর্ধন সিংহাসন আরোহন করেন।
২। সিংহাসন আরোহনকে স্মরনীয় করে রাখার জন্য তিনি ‘হর্ষাব্দ’ নামক সাল গণনা শুরু করেন।
৩। রাজা শশাঙ্কের মৃত্যুর পর হর্ষবর্ধন গৌড় রাজ্য দখল করেন।
৪। চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাং তাঁর রাজত্বকালে ভারতবর্ষ সফর করেন।

পাল রাজবংশ
১। গোপাল পাল রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা।
২। তিনিই বাংলায় বংশানুক্রমিক শাসন শুরু করেন।
৩। বাংলার প্রথম দীর্ঘস্থায়ী রাজবংশ হলো পাল রাজবংশ।
৪। এই বংশের রাজাগণ প্রায় ৪০০ বছর বাংলা শাসন করেন।
৫। ধর্মপাল ছিলেন পাল রাজাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ সম্রাট বা নরপতি।
৬। ধর্মপাল পাহাড়পুরের বিখ্যাত সোমপুর বিহার প্রতিষ্ঠা করেন।
৭। গোবিন্দ পাল ছিলেন পাল রাজবংশের শেষ রাজা।

অন্যান্য
১। অতিশ দীপঙ্কর জন্মগ্রহণ করেন ঢাকার বিক্রমপুরে।তাঁর প্রচারের তত্ত্ব হলো শূন্যবাদ।তিব্বতে যাত্রা করেন ১০৪০ খ্রিস্টাব্দে এবং তিব্বতে ধর্ম প্রচার করে বিখ্যাত হন। তিনি রাজা চ্যাং চুব জ্ঞানপ্রভ এর আমন্ত্রনে তিব্বতে যান।
২। বাংলার শেষ হিন্দু রাজা লক্ষণ সেন।
৩। ময়নামতির ধ্বংসস্তুপ থেকে প্রাপ্ত নিদর্শন অষ্টম শতাব্দীর।
৪। বাংলায় সেন রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা বিজয় সেন।
৫। বাংলায় বিজয় সেনের রাজধানী ছিল বিক্রমুর (বর্তমান মুন্সিগঞ্জ)।

No comments:

Post a Comment

গুরুত্বপূর্ণ কবিদের সম্পর্কিত কিছু তথ্য

* কলকাতায় এশিয়াটিক সোসাইটি স্থাপন করেন স্যার উইলিয়াম জোনস ১৭৮৪ সালে। * কলকাতায় সেন্ট পলস ক্যাথলিক গির্জায় স্যার উইলিয়াম জোনসের স্মৃতিস্তম্ভ ...