Wednesday, July 22, 2020

চর্যাপদ সম্পর্কিত কিছু তথ্য

02-22/07/2020


১। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী পুঁথি সংগ্রহ করতে তিব্বত ও নেপালে গিয়েছিলেন।


২। হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর আবিষ্কৃত পুঁথির নাম চর্য্যাচর্য্যবিনিশ্চয়।


৩। চর্যাপদের প্রাপ্ত পুঁথিতে উল্লেখিত সংস্কৃত টিকাকার মুনিদত্তের মতানুসারে এই পদসংগ্রহের নাম-আশ্চর্যচর্যাচয়।


৪। আধুনিক পণ্ডিতগণের ধারণা এই পুঁথিটির নাম ছিল চর্যাগীতিকোষ।


৫। ১৯২০ সালে বিজয়চন্দ্র মজুমদার প্রথম র্চাপদের ভাষা নিয়ে আলোচনা করেন।


৬। ১৯৩৮ সালে ড. প্রবোধ কুমার বাগচী কতৃক চর্যার তিব্বতি অনুবাদ প্রকাশি হয়।


৭। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে চর্যার রচনাকাল ৬৫০-১২০০ খ্রিস্টাব্দ।


৮। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে চর্যার ভাষা বঙ্গকামরূপী।


৯। চর্যাপদের ভাষাকে কেউ কেউ সান্ধ্য ভাষা বলেছেন।


১০। চর্যার ছন্দ: মাত্রাবৃত্ত


১১। চর্যার ভাষারীতি কথ্য।


১২।  ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় চর্যাপদের ভাষাকে পশ্চিমবঙেগর উপভাষা বলে মনে করেন।


১৩। ড. মুম্মদ শহীদুল্লার মতে 'শবরাপ' বাংলাদেমের লোক ছিলেন।


১৪। চর্যার শেষ পদের রয়িতা হিসেবে সরহপাকে মনে করা হয়।


১৫। চর্যায় ৫১টি পদ ছিল। এর মধ্যে একটি পদ(১১ সংখ্যক) এর ব্যাখ্যা করেন নি।

 

No comments:

Post a Comment

গুরুত্বপূর্ণ কবিদের সম্পর্কিত কিছু তথ্য

* কলকাতায় এশিয়াটিক সোসাইটি স্থাপন করেন স্যার উইলিয়াম জোনস ১৭৮৪ সালে। * কলকাতায় সেন্ট পলস ক্যাথলিক গির্জায় স্যার উইলিয়াম জোনসের স্মৃতিস্তম্ভ ...